People & Blogs

The Prophet Yusuf (A.S)
1 Views · 10 months ago

⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 16 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী

The Prophet Yusuf (A.S)
8 Views · 10 months ago

⁣⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 15 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী - এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি, ইউসুফ আলাইহিস সালাম জেল থেকে মুক্তি পেয়ে মিশরের শক্তিশালী প্রধানদের একজন হয়ে উঠেছেন। তার প্রজ্ঞা ও সত্যবাদিতার জন্য ফারাও তাকে মর্যাদা দিয়েছেন। পুরো দেশে দুর্ভিক্ষ তার কল্পনায় ছিল, আর ইউসুফই সেই দুর্ভিক্ষের সময়ে খাদ্য সংরক্ষণ ও বিতরণের ব্যবস্থা করেছেন।
একদিন, ইউসুফ আলাইহিস সালাম তার ভাইদের খুঁজে পেয়েছিলেন, যারা অনাহারে কপাল ফিরে এসেছিল। তারা মিশরে এসে খাদ্য সাহায্য চেয়ে তার কাছে গিয়েছিল। তারা জানত না যে, তারা যার কাছে এসেছে, সেই তাদের নিষ্ঠুর অতীতের ইউসুফ। ইউসুফ তাদের মুখোমুখি হয়ে তাদের পরিচয় গোপন রেখেছিলেন। তিনি তাদের সাথে বিনয় ও নম্রতার সাথে কথা বললেন।
ভাইদের প্রতি তার হৃদয়ে এক ধরনের অনুভূতি জাগল। কিন্তু তিনি নিজেদের কৌশল অনুযায়ী যাচাই করতে চাইলেন। ইউসুফ আলাইহিস সালাম তাদের বললেন, "আমি তোমাদের খাবার দেব, কিন্তু তোমাদের জন্য একটি পরীক্ষা হবে। তোমাদের থেকে একজনকে এখান থেকে যেতে হবে, বাকিরা থাকতে পারবে কিন্তু তাদের মধ্যে থেকে একজনকে রেখে যেতে হবে।"
এবার ভাইরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ল। তারা ভাবল, "আমরা তো এমনিতেই এতো দিন বিচ্ছিন্ন পরিণতির মধ্যে ছিলাম, কীভাবে আবার এ পরিস্থিতিতে পড়ব?" তবে শেষে তারা সিদ্ধান্ত নিল, তাদের মধ্যে এক ভাই তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে।
ইউসুফ আলাইহিস সালাম তাদের ইচ্ছার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়ে বললেন, "ঠিক আছে, তুমি তোমার ছোট ভাইকে নিয়ে আসো। আমি তার জন্য খাদ্য দেব। তবে জানার সে আমার ছোট ভাই।" এই কথায় ইউসুফের চোখে জল এসে গেল, কারণ তিনি বুঝতে পারলেন যে, কতটা কষ্ট তিনি সহ্য করেছেন।
তাদের মধ্যে আবেগ জেগে উঠলো, এবং ইউসুফ আলাইহিস সালাম তার ভাইদের প্রতি দয়াবানতার আচরণ শুরু করলেন। তিনি তাদের জানান দিলেন যে তিনি তাদের জন্য কিছু বিশেষ ব্যবস্থা করবেন, যেন তারা শান্তিতে বাস করতে পারেন।
কিন্তু কি হবে সবশেষে? ইউসুফ আলাইহিস সালামের জীবনের এই অধ্যায় কি কেবলই শূন্যতার এক বহিঃপ্রকাশ? নাকি তার সহযোদ্ধা ইচ্ছার নিয়মে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা? পরের পর্বে জানবো ইউসুফের জীবনের এই ভিন্নতা, জুলেখার অনুরাগ, এবং কি পরিণতি হয় তাদের।
আল্লাহ আমাদের সাহস ও ধৈর্য দান করুন, যেন আমরা এই সতীনের কাহিনীগুলো থেকে শিক্ষাগ্রহণ করতে পারি।

The Prophet Yusuf (A.S)
19 Views · 10 months ago

⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 12 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী

Dev007
3 Views · 10 months ago

⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 14 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী

Dev007
19 Views · 10 months ago

⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 13 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী

Dev007
4 Views · 10 months ago

⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 11 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী

Dev007
5 Views · 10 months ago

⁣⁣নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।

উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন

Dev007
3 Views · 10 months ago

⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 9 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী

Dev007
4 Views · 10 months ago

⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 8 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী

Dev007
5 Views · 10 months ago

⁣ইউসুফ জুলেখা পর্ব 7 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী

The Prophet Yusuf (A.S)
20 Views · 10 months ago

⁣⁣⁣নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।

উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন

The Prophet Yusuf (A.S)
4 Views · 10 months ago

⁣⁣⁣নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।

উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন

The Prophet Yusuf (A.S)
4 Views · 10 months ago

⁣⁣⁣নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।

উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন

The Prophet Yusuf (A.S)
18 Views · 10 months ago

⁣⁣⁣নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।

উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন

The Prophet Yusuf (A.S)
6 Views · 10 months ago

⁣⁣⁣নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।

উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন

The Prophet Yusuf (A.S)
44 Views · 10 months ago

⁣নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।

উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন

Dev007
8 Views · 10 months ago

⁣Inspired by true incident | Watch till the end




Showing 5 out of 5