Top videos
I am ready Partner scene | Movie Rab Ne Bana Di Jodi | Shah Rukh Khan | Anushka Sharma
Tu Mile Dil Khile Lyrical | Stebin Ben | Asees Kaur
Watch Bard of Blood Part 1, the thrilling new web series starring Emraan Hashmi. Dive into a gripping spy story filled with action, drama, and suspense. Stream now for an intense entertainment experience.
Watch Full Series Here https://www.netflix.com/watch/....80225887?trackId=268
Watch South Africa Champions vs Australia Champions Match 12 at the World Championship of Legends 2025. Catch live cricket thrills and highlights here for free.
Kalle Stropp, Grodan Boll och deras vänner (1956) VHSRIPPEN (Svenska) Hela Filmen (4K)
What Happens When You fell Over a Massive Forest
Shah Rukh Khan | He worked very hard to be recognised
Watch Most Interesting Case I saw in Recent Times. Upgarde your medical clinical knowledge here.
Watch Why Diarrhoea May Cause Whole Body Paralysis | USMLE Exam Questions .
A video of Inspire Entertainment Resort's Aurora zone in Incheon, South Korea, where a vast LED ceiling creates a hyper-realistic underwater world with sharks, manta rays, jellyfish, orcas, and schools of fish swimming overhead as shoppers look up in awe.
Relive the excitement of IPL 2026 Match 2: MI vs KKR with match highlights, key wickets, top performances, and a quick recap of all the turning points—watch now.
Scary duo Neymar AND Vini
IPL 2025 Highlights Match 6 | RR vs KKR
IPL 2025 Highlights Match 8 | CSK vs RCB
IPL 2025 Highlights Match 15 | KKR vs SRH
IPL 2025 Highlights Match 18 | PBKS vs RR
IPL 2025 Highlights Match 20 | SRH vs GT
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।
উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর কাহিনী:-
একবার এক দেশে ছিলেন এক মহান নবী, তাঁর নাম ছিল ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)। তিনি ছিলেন ইয়াকুব (আলাইহিস্ সালাম)-এর পুত্র এবং ইসহাক (আলাইহিস্ সালাম)-এর নাতি। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সুন্দর, বুদ্ধিমান এবং ন্যায়পরায়ণ। তাঁর জীবনের কাহিনী কুরআনুল কারীমের সূরা ইউসুফে বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে, যা একটি অসাধারণ উদাহরণ ধৈর্য, সততা ও আল্লাহর উপর ভরসার।
শৈশব ও স্বপ্ন:-
ইউসুফ (আঃ) ছোটবেলায় এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি স্বপ্নে দেখলেন, এগারোটি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সেজদা করছে। তিনি এই স্বপ্নটি তাঁর পিতা ইয়াকুব (আঃ)-কে বললেন। পিতা বুঝতে পারলেন, ইউসুফ আল্লাহর একজন নির্বাচিত বান্দা হবেন। তিনি বললেন, “এই স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না, তারা হিংসা করতে পারে।”
ভাইদের ষড়যন্ত্র:-
ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা তাঁর প্রতি হিংসা করত, কারণ তাঁরা ভাবত পিতা তাঁকে বেশি ভালোবাসেন। তারা সিদ্ধান্ত নিল তাঁকে দূরে কোথাও ফেলে দেবে। একদিন তারা তাঁকে কূয়ায় ফেলে দিল। পরে এক কাফেলা এসে তাঁকে কূয়া থেকে উদ্ধার করে মিশরে নিয়ে গেল এবং এক আমিরের কাছে বিক্রি করে দিল।
পরীক্ষার সময়:-
মিশরের এক উচ্চপদস্থ ব্যক্তি ইউসুফ (আঃ)-কে দাস হিসেবে গ্রহণ করেন এবং তাঁর স্ত্রী ইউসুফকে লালনপালন করতে থাকেন। কিন্তু পরে সেই নারী ইউসুফের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েন এবং খারাপ কিছু করতে চেয়েছিলেন। ইউসুফ (আঃ) আল্লাহকে ভয় করে তা প্রত্যাখ্যান করেন। এতে তিনি কারাগারে চলে যান, যদিও তিনি নির্দোষ ছিলেন।
কারাগারে স্বপ্ন ব্যাখ্যা:-
জেলখানায় ইউসুফ (আঃ) দুই বন্দীর স্বপ্ন ব্যাখ্যা করেন এবং পরে মিশরের রাজার স্বপ্নেরও ব্যাখ্যা দেন – যে দেশে সাত বছর সচ্ছলতা এবং সাত বছর দুর্ভিক্ষ আসবে। এই ব্যাখ্যা শুনে রাজা এতই মুগ্ধ হলেন যে, ইউসুফ (আঃ)-কে জেল থেকে মুক্ত করে অর্থনীতির দায়িত্ব দিলেন।
পুনর্মিলন :-
দুর্ভিক্ষের সময় ইউসুফ (আঃ)-এর ভাইয়েরা মিশরে খাদ্য সংগ্রহে আসেন। তাঁরা ইউসুফকে চিনতে পারেননি, কিন্তু ইউসুফ তাঁদের চিনতে পারেন। পরবর্তীতে ইউসুফ (আঃ) নিজেকে প্রকাশ করেন এবং বলেন, “আমি তোমাদের ভাই ইউসুফ।” সবাই অবাক হয়ে যায়। পরে তিনি পিতামাতা ও ভাইদের মিশরে এনে সম্মান দেন। স্বপ্নের ব্যাখ্যা তখন সত্যি হয়, যখন সবাই তাঁর সামনে সেজদা করে।
উপসংহার:-
নবী ইউসুফ (আলাইহিস্ সালাম)-এর জীবনী আমাদের শেখায়, ধৈর্য, সততা এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখলে অবশেষে বিজয় আসে। তাঁর জীবন মুসলমানদের জন্য একটি আদর্শ।
"যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাদের জন্য রয়েছে সফলতা।" – কুরআন
ইউসুফ জুলেখা পর্ব 21 | বাংলায় নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনী -
ইউসুফ আলাইহিস সালাম এবং জুলেখার কাহিনীর পরবর্তী পর্বে আমরা দেখতে পাবো কিভাবে জুলেখার প্রতি ইউসুফ আলাইহিস সালামের মানবিকতা এবং নৈতিকতা জাগ্রত হতে থাকে। ইউসুফ যখন জুলেখার সাজিদার মুখোমুখি হন, তখন তিনি শুধুমাত্র সুন্দর চেহারা আর আকর্ষণের দিকে তাকায় না। বরং তিনি দেখতে পান জুলেখার অন্তরে যে প্রেম আর আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, সেটি তার বিশ্বাসের প্রতি এক কঠিন পরীক্ষা।
জুলেখা ইউসুফকে তার প্রতি আকৃষ্ট করতে নানা চেষ্টা করে। সে নানা ধরনের প্রলোভন দেখায়, কিন্তু ইউসুফ আলাইহিস সালাম তার ঈমানি দৃঢ়তা বজায় রাখেন। তিনি বলেন, "আল্লাহ তাআলা আমাকে যে অবস্থানে রেখেছেন, আমি তা ছেড়ে চলে যেতে পারলে আমার শোকরানা হবে, কিন্তু এভাবে নয়।"
তার মধ্যে এমন দৃঢ়তা ছিল যে, সে নিজেকে আল্লাহর প্রতি সপে দেয়। ইউসুফ আলাইহিস সালামের কাহিনীতে এই পর্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, নৈতিকতার গুণাবলী কখনো মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য ও শক্তি থেকে কম নয়। এই ঘটনা আমাদের শেখায় যে, সত্যিকার প্রেম এবং আন্তরিকতা কখনোই আত্মসাৎকারী এবং ক্ষতিকর হতে পারে না; বরং ঈমানদার এবং সৎ থাকাই সকল সম্পদ ও সৌন্দর্যের চেয়ে মূল্যবান।
এভাবে ইউসুফ আলাইহিস সালাম ও জুলেখার সম্পর্কের এই ক্রান্তিলগ্নে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হয় আমাদের নৈতিকতার পরীক্ষা কিভাবে দিতে হয়, এবং কিভাবে সৃজনশীলতার সেরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হয়। আমাদের পরবর্তী পর্বে বিস্তৃত আলোচনা হবে কিভাবে ইউসুফ আলাইহিস সালাম এই পরীক্ষার প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করেন।